www.tunepage.webs.com. Blogger দ্বারা পরিচালিত.
Labels
Followers
যোগাযোগ ফর্ম
Live IPL Cricket Score
অন্যান্য লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
নিয়ে নিন ন্যশনাল আই ডি কার্ড
আজ নিয়ে এলাম ভোটার আইডি কার্ড ! পেওনার একাউন্ট করেন , পায়যা ভেরিফাই
করেন বা মানিবুকার যারা ফরেক্স এ ট্রেড করেন তাদের ও একাউন্ট ভেরিফাই করতে
প্রয়জন ভোটার আইডি কার্ড কিন্তূ যাদের নেই ! যাদের পাসপোর্ট ও নেই তাদের
যালার ও শেষ নেই। তাই আমি আজকে নিয়ে এলাম নকল ভোটার আইডি কার্ড যা দিয়ে
ভেরিফিকেসন এর কাজ চালিয়ে দিতে পারবেন অনায়াসে। তবে আইডি কার্ড এর নাম্বার
কিভাবে দেবেন তা সম্পরখে একটু জেনে নেন আগে।
আপনারা দেখবেন আইডি কার্ড এর নীচে লাল কালি দিয়ে লেখা ১৩ সংখ্যার একটা নম্বর আছে যাকে আমরা আইডি নম্বর হিসাবে জানি।
কিন্তু এই ১৩ সংখ্যার মানে কি?
১। এর প্রথম ২ সংখ্যা - জেলা কোড। ৬৪ জেলার আলাদা আলাদা কোড আছে। ঢাকার জন্য এই কোড ২৬।
২। পরবর্ত্তি ১ সংখ্যা - এটা আর এম ও (RMO) কোড।
সিটি কর্পোরেশনের জন্য - ৯
ক্যান্টনমেন্ট - ৫
পৌরসভা - ২
পল্লী এলাকা - ১
পৌরসভার বাইরে শহর এলাকা - ৩
অন্যান্য - ৪
৩। পরবর্ত্তি ২ সংখ্যা - এটা উপজেলা বা থানা কোড
৪। পরবর্ত্তি ২ সংখ্যা - এটা ইউনিয়ন (পল্লীর জন্য) বা ওয়ার্ড কোড (পৌরসভা বা সিটি কর্পোরেশনের জন্য)
৫। শেষ ৬ সংখ্যা - আই ডি কার্ড করার সময় আপনি যে ফর্ম পূরণ করেছিলেন এটা সেই ফর্ম নম্বর।
বর্তমানে আবার ১৭ ডিজিট ওয়ালা আইডি কার্ড দেয়া হচ্ছে যার প্রথম ৪ ডিজিট হচ্ছে জন্মসাল
সুতরাং ইচ্ছামত নাম্বার দিয়েন না নিয়ম মত দিন আর ভেরিফাই করে নিন আপনার একাউন্ট। আর হ্যা আর একটি ডকুমেন্ট প্রয়জন হয় তা হল কারেন্ট বিল বা ব্যাংক স্টেটমেন্ট এই দুটোর PSD বা ভালো কপি আমার কাছে নেই কারো থাকলে সেয়ার করবেন।
বিঃ দ্রঃ দয়া করে এই কার্ডটি কোন খারাপ কাজে অর্থাৎ অবৈধ ভাবে বাংলাদেশ এ কোন কাজে যেমন ব্যাংক একাউন্ট করতে কাজে লাগাবেন না ।
আপনারা দেখবেন আইডি কার্ড এর নীচে লাল কালি দিয়ে লেখা ১৩ সংখ্যার একটা নম্বর আছে যাকে আমরা আইডি নম্বর হিসাবে জানি।
কিন্তু এই ১৩ সংখ্যার মানে কি?
১। এর প্রথম ২ সংখ্যা - জেলা কোড। ৬৪ জেলার আলাদা আলাদা কোড আছে। ঢাকার জন্য এই কোড ২৬।
২। পরবর্ত্তি ১ সংখ্যা - এটা আর এম ও (RMO) কোড।
সিটি কর্পোরেশনের জন্য - ৯
ক্যান্টনমেন্ট - ৫
পৌরসভা - ২
পল্লী এলাকা - ১
পৌরসভার বাইরে শহর এলাকা - ৩
অন্যান্য - ৪
৩। পরবর্ত্তি ২ সংখ্যা - এটা উপজেলা বা থানা কোড
৪। পরবর্ত্তি ২ সংখ্যা - এটা ইউনিয়ন (পল্লীর জন্য) বা ওয়ার্ড কোড (পৌরসভা বা সিটি কর্পোরেশনের জন্য)
৫। শেষ ৬ সংখ্যা - আই ডি কার্ড করার সময় আপনি যে ফর্ম পূরণ করেছিলেন এটা সেই ফর্ম নম্বর।
বর্তমানে আবার ১৭ ডিজিট ওয়ালা আইডি কার্ড দেয়া হচ্ছে যার প্রথম ৪ ডিজিট হচ্ছে জন্মসাল
সুতরাং ইচ্ছামত নাম্বার দিয়েন না নিয়ম মত দিন আর ভেরিফাই করে নিন আপনার একাউন্ট। আর হ্যা আর একটি ডকুমেন্ট প্রয়জন হয় তা হল কারেন্ট বিল বা ব্যাংক স্টেটমেন্ট এই দুটোর PSD বা ভালো কপি আমার কাছে নেই কারো থাকলে সেয়ার করবেন।
বিঃ দ্রঃ দয়া করে এই কার্ডটি কোন খারাপ কাজে অর্থাৎ অবৈধ ভাবে বাংলাদেশ এ কোন কাজে যেমন ব্যাংক একাউন্ট করতে কাজে লাগাবেন না ।
Tag :
অন্যান্য,
আইফোন টু আইফোন কথা বলুন ফ্রী
আইফোন টু আইফোন কথা বলুন ফ্রী
বর্তমানে আমরা অনেকেই আইফোন ব্যবহার করছি । আইফোন হছে এমন একটি মোবাইল যেটি দিয়ে আপনি অনেক কিছুই করতে পারবেন ।
ধরুন আপনি আছেন বাংলাদেশএ আর আপনার এক বন্ধু আছে বিদেশে এ । আপনিও আইফোন ব্যবহার করেন আর আপনার বন্ধুও আইফোন ব্যবহার করে তাহলে আপনারা দুজনে আইফোন দিয়া ফ্রী কথা বলতে পারবেন ইছা মত বিল নিয়ে আর চিন্তা করতে হবে না মোবাইলএ শুধু ইন্টারনেট থাকলেই চলবে
এজন্য আপনাকে appstore থেকে Viber ডাউনলোড করতে হবে
সফটওয়্যারটি appstore এ ফ্রী পাওয়া যায় এজন্য আপনার অবশাই appstore এ id থাকতে হবে । free ID হলেও চলবে ।
যদিও appstore বাংলাদেশ সাপোর্ট করে না আপনারা চাইলে বাংলাদেশ থেকে কিভাবে appstore এ id করতে হবে তা নিয়ে আমি পরবর্তীতে টিউন করবো
অনেকে হয়তো বলবে fring দিয়ে ও ফ্রী মোবাইল টু মোবাইল কথা বলা যায় কিন্তু Viber এর সাথে fring এর পার্থক্য হল fring দিয়ে কথা বলতে হলে দুইটি মোবাইল এ fring অন থাকতে হবে
আর Viber দিয়ে কথা বলতে হলে অন্য মোবাইল এ viber অন থাকার দরকার নাই যখন তখন viber টু viber কল করা যাবে
Tag :
অন্যান্য,
Blog Make free Now
আস্-সালামু আলাইকুম। আশা করি আল্লাহর রহমতে সবাই ভালো আছেন।
আমরা যারা সাধারন ইন্টারনেট ব্যবহারকারী রয়েছি তারা প্রত্যেকেই নিজের জন্য একটা নিজস্ব ওয়েব-সাইট প্রত্যাশা করি। তবে সে-সমস্থ নিয়ম-কানুন না জানার কারনে আমাদের অনেকেই হয়তো সেই প্রত্যাশা পূরণ করতে পারিনা।
যাইহোক, তারই জের ধরে আমি আপনাদের জন্য সহজ প্রণালীতে কিভাবে ওয়েব সাইট তৈরি করা যায় তার পুরো প্রকৃয়া নিয়ে বিস্তারিত ভাবে আলোচনা করব। আশা করি শেষ পর্যন্ত আপনারা আমার সঙ্গেই থাকবেন।
প্রকৃতপক্ষে ওয়েবসাইট পরিচালনা করা একটি বিশাল ব্যাপার। যা আমাদের মত সাধারন ব্যবহারকারীদের পক্ষে এর সামগ্রীক খরচ বহন করা সম্ভব নয়। কারন এতে ডোমেইন, হোস্টিং সহ বিভিন্ন খরচ যুক্ত রয়েছে। তাই আমাদের ফ্রী কোন সার্ভিস ব্যবহার করাই শ্রেয় হবে।
কিন্তু সবচেয়ে খুশির ব্যাপারটি হল এই যে, আমাদের কথা বিবেচনা করে গুগুল এবং ওয়ার্ডপ্রেস এই ধরনের ফ্রী সার্ভিস চালু করেছে। যদিও এসব ক্ষেত্রে অনেক শিথিলতা আরোপ করা হয়েছে তারপরও আমরা তাদেরকে এধরনের সার্ভিস চালু করার জন্য সাধুবাদ জানাই।
আমরা প্রথমে গুগুল ব্লগ দিয়ে শুরু করি কেননা এটা ওয়ার্ডপ্রেস এর চেয়ে অনেক সহজে তৈরি করা যায়। পরবর্তীতে আমরা ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে কিভাবে ওয়েবসাইট তৈরি করা যায় সে বিষয়ে দেখব।
গুগুল ব্লগে অনেক কিছুরই সীমাবদ্ধতা রয়েছে। যাইহোক, তারপরও আমরা যথাসম্ভব চেষ্টা করব আমাদের সাইট টি কে সুন্দর ও আকর্ষণীয় করে তোলার জন্য। তবে আপনাদের কে অবশ্যই প্রতিটি পর্ব ভালো করে দেখতে হবে এবং সে অনুযায়ী অনুসরন করতে হবে।
অনেক কথা হলো। এবার আমরা কাজের প্রসঙ্গে আসি।
গুগুল ব্লগ তৈরি করার জন্য আমাদের প্রথমে একটা জিমেইল আইডি’র প্রয়োজন হবে।
যাদের নেই তারা এক্ষুনি gmail.google.com এড্রেস-এ গিয়ে জিমেইল আইডি টি খুলে নিন।
আর যাদের রয়েছে তাদের নতুন করে আইডি খোলার প্রয়োজন নেই। তবে হ্যা মন চাইলে নতুন আইডি দিয়েও ব্লগ সাইট টি খুলতে পারেন।
যাইহোক, এবার আপনারা নিচের ধাপসমূহ অনুসরন করুন।
প্রথমে আপনি http://www.blogger.com
এ যান। তারপর আপনার জিমেইল আইডি এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে ব্লগারে সাইন ইন করুন।

তারপর, নতুন পেজটি তে আপনাকে স্বাগতম জানানো হবে। যাইহোক আপনি উক্ত পেজের নিচের অংশে যান। তারপর, “ব্লগারে অবিরত রাখুন” অথবা “Continue blogger” এ ক্লিক করুন।
নতুন পেজটি ওপেন হলে “নতুন ব্লগ” বা “New blog” এ ক্লিক করুন।

“নতুন ব্লগ” এ ক্লিক করার পর পেজটি নিচের ছবিটির মত দেখাবে

১. এবার আপনি শিরোনাম বা title -এ, আপনার ব্লগ সাইটের টাইটেল নামটি দিন।
২. ঠিকানা বা address -এ, আপনার ব্লগ সাইট টি যে নামে খুলতে চান সে নামটি দিন।
৩. টেমপ্লেটের তালিকা থেকে যেকোন একটি টেমপ্লেট নির্বাচন করুন।
উপরের কাজগুলো শেষ হলে এবার “ব্লগ তৈরি করুন!” লিখাটি-তে ক্লিক করে ব্লগটি সম্পন্ন করুন। ব্যাস আপনার ব্লগটি তৈরি হয়ে গেল।
আজকের পর্ব এ পর্যন্ত-ই। ইন-শা-আল্লাহ্! আগামী পর্বে আমরা ব্লগের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করব।
সে পর্যন্ত বিদায় নিচ্ছি। সবাই ভালো থাকুন। আল্লাহ্ হাফেজ।
আমরা যারা সাধারন ইন্টারনেট ব্যবহারকারী রয়েছি তারা প্রত্যেকেই নিজের জন্য একটা নিজস্ব ওয়েব-সাইট প্রত্যাশা করি। তবে সে-সমস্থ নিয়ম-কানুন না জানার কারনে আমাদের অনেকেই হয়তো সেই প্রত্যাশা পূরণ করতে পারিনা।
যাইহোক, তারই জের ধরে আমি আপনাদের জন্য সহজ প্রণালীতে কিভাবে ওয়েব সাইট তৈরি করা যায় তার পুরো প্রকৃয়া নিয়ে বিস্তারিত ভাবে আলোচনা করব। আশা করি শেষ পর্যন্ত আপনারা আমার সঙ্গেই থাকবেন।
প্রকৃতপক্ষে ওয়েবসাইট পরিচালনা করা একটি বিশাল ব্যাপার। যা আমাদের মত সাধারন ব্যবহারকারীদের পক্ষে এর সামগ্রীক খরচ বহন করা সম্ভব নয়। কারন এতে ডোমেইন, হোস্টিং সহ বিভিন্ন খরচ যুক্ত রয়েছে। তাই আমাদের ফ্রী কোন সার্ভিস ব্যবহার করাই শ্রেয় হবে।
কিন্তু সবচেয়ে খুশির ব্যাপারটি হল এই যে, আমাদের কথা বিবেচনা করে গুগুল এবং ওয়ার্ডপ্রেস এই ধরনের ফ্রী সার্ভিস চালু করেছে। যদিও এসব ক্ষেত্রে অনেক শিথিলতা আরোপ করা হয়েছে তারপরও আমরা তাদেরকে এধরনের সার্ভিস চালু করার জন্য সাধুবাদ জানাই।
আমরা প্রথমে গুগুল ব্লগ দিয়ে শুরু করি কেননা এটা ওয়ার্ডপ্রেস এর চেয়ে অনেক সহজে তৈরি করা যায়। পরবর্তীতে আমরা ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে কিভাবে ওয়েবসাইট তৈরি করা যায় সে বিষয়ে দেখব।
গুগুল ব্লগে অনেক কিছুরই সীমাবদ্ধতা রয়েছে। যাইহোক, তারপরও আমরা যথাসম্ভব চেষ্টা করব আমাদের সাইট টি কে সুন্দর ও আকর্ষণীয় করে তোলার জন্য। তবে আপনাদের কে অবশ্যই প্রতিটি পর্ব ভালো করে দেখতে হবে এবং সে অনুযায়ী অনুসরন করতে হবে।
অনেক কথা হলো। এবার আমরা কাজের প্রসঙ্গে আসি।
গুগুল ব্লগ তৈরি করার জন্য আমাদের প্রথমে একটা জিমেইল আইডি’র প্রয়োজন হবে।
যাদের নেই তারা এক্ষুনি gmail.google.com এড্রেস-এ গিয়ে জিমেইল আইডি টি খুলে নিন।
আর যাদের রয়েছে তাদের নতুন করে আইডি খোলার প্রয়োজন নেই। তবে হ্যা মন চাইলে নতুন আইডি দিয়েও ব্লগ সাইট টি খুলতে পারেন।
যাইহোক, এবার আপনারা নিচের ধাপসমূহ অনুসরন করুন।
প্রথমে আপনি http://www.blogger.com
এ যান। তারপর আপনার জিমেইল আইডি এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে ব্লগারে সাইন ইন করুন।

তারপর, নতুন পেজটি তে আপনাকে স্বাগতম জানানো হবে। যাইহোক আপনি উক্ত পেজের নিচের অংশে যান। তারপর, “ব্লগারে অবিরত রাখুন” অথবা “Continue blogger” এ ক্লিক করুন।
নতুন পেজটি ওপেন হলে “নতুন ব্লগ” বা “New blog” এ ক্লিক করুন।

“নতুন ব্লগ” এ ক্লিক করার পর পেজটি নিচের ছবিটির মত দেখাবে

১. এবার আপনি শিরোনাম বা title -এ, আপনার ব্লগ সাইটের টাইটেল নামটি দিন।
২. ঠিকানা বা address -এ, আপনার ব্লগ সাইট টি যে নামে খুলতে চান সে নামটি দিন।
৩. টেমপ্লেটের তালিকা থেকে যেকোন একটি টেমপ্লেট নির্বাচন করুন।
উপরের কাজগুলো শেষ হলে এবার “ব্লগ তৈরি করুন!” লিখাটি-তে ক্লিক করে ব্লগটি সম্পন্ন করুন। ব্যাস আপনার ব্লগটি তৈরি হয়ে গেল।
আজকের পর্ব এ পর্যন্ত-ই। ইন-শা-আল্লাহ্! আগামী পর্বে আমরা ব্লগের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করব।
সে পর্যন্ত বিদায় নিচ্ছি। সবাই ভালো থাকুন। আল্লাহ্ হাফেজ।
Tag :
অন্যান্য,